রাস্তায় ট্রাফিক পুলিস আটকালে কি কি করণীয় ও আপনার অধিকার

পুলিসের চাপে পড়ে অন্যায্য কাজ করবেন না। ঘুষ দেওয়ার চেষ্টা কখনও নয়। দুচাকা বা চারচাকা গাড়ি থাকলে সবাই এই অবস্থার সম্মুখীন হয়েছেন। পুলিস দাঁড় করিয়েছে। ঘাবড়ানোর কিছু নেই। আপনারও কিছু অধিকার আছে। সেগুলি জেনে রাখা ভালো।

১০) ট্রাফিক পুলিস হয়রানি করলে পুরো ঘটনার বিস্তারিত বর্ণনা করে পুলিসে অভিযোগ জানাতে পারেন।

৯) ট্র্যাফিক পুলিশ কর্তৃক অপরাধের জন্য আটক করা হলে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বিচারকের কাছে হাজির করতে হবে।

৮) বৈধ রসিদ ছাড়া, ট্রাফিক পুলিস কারও ড্রাইভিং লাইসেন্স নিতে পারে না। লালাবাতিতে না থামা, ওভারলোডিং, মত্ত অবস্থায় গাড়ি চালানো এবং গাড়ি চালানোর সময় মোবাইল ফোনে কথা বললে পুলিস ড্রাইভিং লাইসেন্স আটক করতে পারে।

৭) লাইসেন্স বা পারমিট না থাকলে পুলিস দুচাকা বা চারচাকা গাড়ি আটক করতে পারে। রেজিস্ট্রেশন না থাকলেও আটক করতে পারে।

৬) জরিমানার টাকা দেবেন সাব ইন্সপেক্টর পদমর্যাদার কোনও পুলিস অফিসারকে।

৫) ট্রাফিক পুলিসকে বহুল তথ্য দিয়ে বিভ্রান্ত করবেন না। ঘুষ দেওয়ার চেষ্টা কখনও নয়। ট্রাফিক পুলিসের পোশাকে কোনও ব্যাজ দেখতে না পেলে পরিচয় পত্র দেখতে চান। পরিচয় পত্র না দেখালে তাঁকে গাড়ির কাগজপত্র দেবেন না।

৪) লালবাতি দেখেও না থামা, বহুল জায়গায় পার্কিং, হেলমেট ছাড়া চালানো, গতিবেগ বেশী, গাড়ি চালানোর সময় ধূমপান, নাম্বার প্লেটে গোলমাল, লাইসেন্স ছাড়া গাড়ি চালানো, রেজিস্ট্রেশন ছাড়া গাড়ি রাস্তায় নামানো, বীমার বৈধকাগজ, দূষণের যথাযথ কাগপত্র, এই কয়েকটি জিনিস না থাকলে ট্রাফিক পুলিস জরিমানা করতে পারে।

৩) পুলিসের সঙ্গে কখনও বাদানুবাদে জড়াবেন না। কিছু ভুল করে ফেললে সেটি জানান, পুলিস আপনাকে যেতে দেবে।

২) যদি ট্রাফিক পুলিস থামায় তবে গাড়ি বন্ধ করে আপনার বাহন সম্পর্কিত তথ্য পুলিসের কাছে পেশ করুন। মনে রাখা দরকার, শুধুমাত্র ড্রাইভিং লাইসেন্স দেখানোই যথেষ্ট। পুলিসের কাছে সেটা হস্তান্তর করবেন কিনা সেটা নিতান্তই আপনার ইচ্ছা। মোটর ভেহিকেল অ্যাক্টের ১৩০ ধারা অনুযায়ী ‘প্রডিউস’ করতে অর্থাৎ দেখালেই হবে। দিতে হবে না।

১) পুলিস খালি হাতে কিছু দাবি করতে পারে না। নিদেনপক্ষে চালান বই কিংবা ই-চালান মেশিন থাকতে হবে।

Sanjib: