আপনি কি ভুতুড়ে কাহিনী ভালোবাসেন? গা ছমছমে অভিজ্ঞতার স্বীকার হয়েছেন কখনো?

থাকলে অবশ্যই ঘুরে আসুন কলকাতার রহস্যে মোড়া এই জায়গাগুলোতে।

আজ আমরা আপনাদের কে কলকাতার ৫ টি বিখ্যাত ভুতুড়ে জায়গার নাম বলবো বুকে সাহস থাকলে অবশ্যই জায়গাগুলো ঘুরে আসুন।

চলুন একে একে জায়গা গুলি দেখে নেওয়া যাক👇👇

১) ন্যাশনাল লাইব্রেরি :

কলকাতার ন্যাশনাল লাইব্রেরিটি ভুতুড়ে ক্রিয়াকলাপের জন্য খ্যাত। এখানকার অনেক পড়ুয়ারা স্বীকার করেছেন যে পড়ার সময় হঠাৎই তাদের ঘাড়ে অদৃশ্য কারোর নি:শ্বাস উপলব্ধি করেছেন।

কেউ কেউ আবার দুপুরবেলায় অশরীরি কারোর পদচারনার শব্দও শুনেছেন। লাইব্রেরিতে কর্মরত লোকেরাও এমন ভুতুড়ে ঘটনার সাক্ষী থেকেছেন। অনেকে বলেন, এখনও এই লাইব্রেরির ভিতরে বাইরে লর্ড মেডকাফের স্ত্রী ঘুরে বেড়ান।

২) মল্লিক ঘাট :

হাওড়া ব্রিজের তলার একটি ঘাট হল মল্লিক ঘাট। যেটি ফুলবাজারের নিকটে অবস্থিত।

এখান থেকে যাতায়াতকারী অধিকাংশ মানুষই জানিয়েছেন এই ঘাটে প্রতিদিনই কিছু না কিছু ভুতুড়ে ঘটনা ঘটে।

স্থানীয়দের অনেকাংশেরই দাবি কোনো মহিলা সুর করে কাঁদতে থাকে আর পড়নে সাদা কাপড় পরে তাকে ঘুরতে দেখা যায় রাতের আঁধারে।

তাঁদের ধারণা গঙ্গার জলে ডুবে মৃত মানুষের আত্মারা এখানে বিচরণ করে।

৩) নিমতলা শ্মশানঘাট :

কলকাতার এই শবদাহের স্থানটি ভুতুড়ে জায়গা হিসেবে পরিচিত।

এখানে নাকি অশরীরি আত্মারা বিচরন করে থাকে। অনেকেই এই ঘটনার সাক্ষীও থেকেছেন। বিশেষ করে অমাবস্যার রাতে নাকি এখানে নানারকম অলৌকিক ঘটনা ঘটে থাকে, এমনটাই দাবি স্থানীয়দের।

৪) রবীন্দ্র সরোবর মেট্রো স্টেশন :

কলকাতার ভুতুড়ে জায়গা গুলির মধ্যে রবীন্দ্র সরোবর মেট্রো স্টেশন নামটি খুবই পরিচিত।

মেট্রোর লাইনে ঝাঁপ লাগিয়ে যতগুলি আত্মহত্যা হয়েছে কলকাতায় তার প্রায় ৮০ শতাংশই এই রবীন্দ্র সরোবর মেট্রো স্টেশনে ঘটেছে।

যারা এই স্টেশন থেকে শেষতম মেট্রোতে চড়ার জন্য অপেক্ষা করেন তাদের অধিকাংশই ভুতুড়ে ঘটনার স্বীকার হয়েছেন। নানারকম ছায়ামূর্তিকে স্টেশনে ঘুরতে দেখেছেন।

৫) লোয়ার সার্কুলার রোড সেমেটারি :

জায়গাটি একটি কবরস্থান। এখানে স্যার উইলিয়াম হে ম্যাকনাটেন কে কবর দেওয়া হয়েছিল। ইনি ইঙ্গ- আফগান যুদ্ধে মারা যান।

ের কাটাছেঁড়া দেহটি আফগানিস্তান থেকে নিয়ে এসে এখানেই কবর দেন তাঁর স্ত্রী।

যদি কেউ তাঁর কবর স্থানের আশে পাশে যায় তাহলে নাকি তাঁর আত্মা রাগান্বিত হয়ে যায় আর কবরটিকে ছায়া প্রদানকারী বিশালাকার বৃক্ষটি ভয়ংকর ভাবে কাঁপতে থাকে।