শিব ঠাকুর হলেন হিন্দুধর্মের মূল স্তম্ভ ত্রিশক্তির (ব্রহ্মা, বিষ্ণু ও শিব) প্রধান। শিব ঠাকুর সমসাময়িক হিন্দুধর্মের তিনটি সর্বাধিক প্রভাবশালী সম্প্রদায়ের অন্যতম শৈব সম্প্রদায়ের প্রধান দেবতা। এছাড়া শিব ঠাকুর স্মার্ত সম্প্রদায়ে পূজিত ঈশ্বরের পাঁচটি প্রধান রূপের (গণেশ , শিব, সূর্য, বিষ্ণু ও দুর্গা ) একটি রূপ। তিনি ধ্বংস, সংহার ও প্রলয়ের দেবতা। বলে রাখা ভালো যে পুরান কোনো শাস্ত্রে মহাদেব শিব ঠাকুরের গাঁজা খাওয়ার কোনো উল্লেখ নেই।

শিব ঠাকুর

অর্থাৎ, শিব ঠাকুরের এই মানুষের কল্পনা প্রসূত। আমাদের মনে এরকম প্রশ্ন আসতেই পারে যে , হিন্দু ধর্মে তো এতো দেবতা রয়েছে তা সত্ত্বেও মহাদেব শিব ঠাকুর’কে নিয়েই এমন কল্পনার করা হয় কেন?

শিব ঠাকুর
শিব ঠাকুর

আমরা যদি একটু শৈব দর্শন ঘেটে দেখি তাহলে জানতে পারবো যে মহাদেব শিব সব মায়ার ওপরে।

আরও পড়ুন: মুক্তি পেল শাহরুখ খানের মেয়ে সুহানার প্রথম হলিউড ছবি! ফুল ভিডিও দেখুন

জেনে নিন তাহলে…

তাকে যদি আমরা বিস্তারিত ভাবে জানতে পারি তাহলে সব কিছুর রহস্যের সমাধান ঘটবে। মায়া সবসময় শিবের চরনতলে রয়েছে।

যুগ যুগ ধরে ভারতের সংস্কৃতি মায়াকে নেশার আরেকটি রুপ বলে মেনে আসছে।

আরও পড়ুন: জানেন শিব ঠাকুরের বাবা কে ? জেনে নিন তাহলে…

সেক্ষেত্রে গাঁজা বা অন্য যেকোনো নেশার জিনিস মায়ারই আরেকটি রুপভেদ বলে মান্য হয়ে এসেছে।

আসলে এই নেশার বস্তু দেব দেবীকে সমর্পন করে মায়াজাল থেকে মুক্ত হতে চায় মানুষ ।

ঠিক এই কারনেই শিব ঠাকুর’কে গাঁজা দেওয়া হয়ে থাকে। এমনটাই মনে করেন বিশেজ্ঞরা। সন্ন্যাসীরা গাঁজা বা ভাঙকে সাধনার একটি অঙ্গ বলে মনে করেন।

শিব ঠাকুর
শিব ঠাকুর

আয়ুর্বেদ শাস্ত্রে এই সব গাছ থেকে ওষুধ তৈরীর কথা বলা হয়েছে বলে সন্ন্যাসীরা ধ্যানের উপাসক হিসেবে গাঁজা বা ভাঙ খেয়ে থাকেন।

কবি রামেশ্বর তাঁর ‘শিবায়ন’ কাব্যে শিবকে এমন চরিত্রেই দেখিয়েছেন। এই চরিত্র বাংলার অন্তর থেকে উঠে আসা।

তিনি সংসার-বিমুখ। শ্মশান আর গাঁজা-ভাং তাঁর অন্যতম প্রতীক হিসেবেই উঠে আসে এই কাব্যে। তাই বাঙালী শিবকে এইভাবেই ভেবে এসেছে।

আরও পড়ুন: অনলাইনে কিনলেন ডিম, ফুঁটে বের হলো পুঁচকে পাখি!

বাংলায় ভাইরাল ভাইরাল খবর, লেটেস্ট নিউজ, বিনোদনমূলক পোস্ট ও আন্তর্জাতিক খবর পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ-Bengali Viral News