পুরীর জগন্নাথ মন্দিরের এই ৮টি রহস্য জানলে আপনি চমকে যাবেন…

বিজ্ঞাপন

পুরীর কথা বলতেই প্রথমে মনে আসে জগন্নাথ দেবের মন্দির, আর বিশাল রথযাত্রা উৎসব।
চার ধামের মধ্যে পুরীর এই জগন্নাথ মন্দির অবশ্যই অন্যতম। সারাবছর ধরেই দেশে বিদেশ থেকে লক্ষ লক্ষ ভক্তরা জগন্নাথ দেশের দর্শনের জন্য পুরীর এই মন্দিরে এসে ভিড় জমান।
এই ঐতিহাসিক জগন্নাথ মন্দির ১০৭৮ সালে তৈরি হয়। ১১৭৪ সালে তা মেরামতির পর আজকের জগন্নাথ মন্দিরর রূপ ধারণ করে।
এই পুরী জগন্নাথ মন্দিরের কিছু উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট আছে। যা অবিশ্বাস্য, অভাবনীয় তবে বাস্তবও বটে।

আমরা সবাই-ই কম বেশি একবার করে হলেও পুরী ভ্রমণেে গেছি। কিন্তু অনেকেই জানে না এই পুরীর জগন্নাথ মন্দিরেের রহস্য…..এবং যারা পুরী যাওনি ও যারা এই জানেন না তারা এই পুরীর রহস্য গুলি জেনে নিন এবং বন্ধুদের শেয়ার করে দেখিয়ে দিন…তাই জেনে নেওয়া যাক এই পুরীর রহস্য….

1. জগন্নাথ বলরাম, সুভদ্রা তিনজনের বিগ্রহই কাঠের তৈরি। প্রত্যেক ১২ বছর পর একটি গোপন রীতি মেনে জগন্নাথ, বলরাম, সুভদ্রাকে নতুন শরীর দেওয়া হয়।
2. মন্দিরের চূড়ায় যে সুদর্শন চক্রটি দেখা যায় সেটি উচ্চতায় ২০ ফুট এবং ১ টন ওজন। এবং বলা হয়, শহরের যেকোনও জায়গা থেকেই এই চক্র দেখ যায় ও সবসময়ই মনে হয়, যে দেখছে চক্রটি তার মুখোমুখি।
3. জগন্নাথ দেবেরএকটা হাঁড়ির ভোগ যদি আপনারা সপরিবারে খান তবুও এইভোগ শেষ করতে পারবেন না সে যতই ছোট ভোগের হাঁড়ি হোক না কেন।

4.পুরীর মন্দিরের মাথায়যে পতাকাটি ওড়ে সেটি প্রতিদিন বদলানো হয়, আর এটি বদলানোরজন্য একটি ১২বছরের ছেলে লাগে যে এই পতাকাটি প্রতিদিন বদলায় ।

5. এই মন্দিরেরকোনো ছায়া পড়ে না।6. মন্দিরের ওপর দিয়েকোনো বিমান, পাখি উড়ে যেতে পারে না।7. মন্দিরের সিংহ দ্বারে সমুদ্রের ঢেউয়ের শব্দ শোনা যায়।8. মহাপ্রসাদ রান্না হয় পরপর সাতটি মাটির পাত্রে একসাথে(একটির উপরে আরেকটি বসানো হয়) কিন্তু রান্না হয় উপরের হাঁড়িতে সবার প্রথমে।

আমাদের এই তথ্য টি কোনো ভুল নয় একদম সঠিক বিশ্বাস না হলে পুরী গিয়ে দেখতে পারেন। ধন্যবাদ।

end

বিজ্ঞাপন
Sanjib:
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন