OMG! পাছায় পাদ আটকে যুবকের মৃত্যু -জানুন বিস্তারিত এক্ষুণি….

বিজ্ঞাপন

হ্যাঁ আপনি ঠিকই শুনছেন, নিজের চোখে ঠিকই দেখছেন! এমনটাই ঘটেছে! আসুন জেনে নেয়া যাক।

পাদ মানুষ তথা অন্যান্য প্রাণীদের একটি স্বাভাবিক শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়া। আমরা যে খাদ্য গ্রহণ করি তখন শুধুমাত্র খাদ্য গলাধঃকরণ করিনা; তার সাথে মিশে যায় পর্যাপ্ত পরিমাণ বায়ু! থাকে অক্সিজেন, নাইট্রোজেন, হাইড্রোজেনের মত কিছু গ্যাস যা মিলিত ভাবে সোডা ও মিথেন তৈরি করে! যখন লার্জ ইন্টেস্টাইনে এই খাদ্য পরিপাক হয় তখন এই গ্যাসগুলি কোথাও না কোথাও সরে যেতে চায়!

এছাড়া এমন কোনো খাদ্য যা অ্যাসিড গ্যাস উৎপাদন করে সেগুলো পায়ুপথে বেরিয়ে আসে; এই শারীরবৃত্তীয় ভাবে নিষ্ক্রিয় বায়ুকেই পাদ বলে!

আর পাঁচটা দিনের মতই সাধারণ ছিলো না ইরাকের বাকুবা অঞ্চলের ক্ষেতমজুর আবু-আল-হামজার। অন্যান্য দিনের মতই দুপুরে ক্ষেত থেকে ফিরে খেয়েদেয়ে মাটিতে শুয়ে বিশ্রাম করছিলেন তিনি। হঠাত খেয়াল বশেই তার খুব জোর পাদ পায়। কিন্তু পা তুলে কষে পাদ মারতেই বাধে বিপত্তি। প্রচন্ড যন্ত্রনায় চিৎকার শুরু করে হামজা, ততক্ষণে জড়ো হয়ে যায় প্রতিবেশিরা। তার পায়ুপথ দিয়ে গলগল থেকে বেরিয়ে আসে রক্ত। স্থানীয়দের দ্রুত তৎপরতায় তাকে দ্রুত হসপিটালে নিয়ে গেলে সেখানেই মারা যান হামজা।

স্থানীয়দের বক্তব্য, এলাকায় স্যানিটারী ল্যাট্রিনের সুবন্দোবস্ত না থাকায় নিয়মিত বাড়ি।থেকে ২ কিলোমিটার দূরে মলত্যাগ করতে যেতে হয় তাদের। তাই আবু হামজা মাঝে মাঝেই চেপে রাখতেন পটি। এর আগেও একবার তলপেটে যন্ত্রণা নিয়ে হসপিটালের দ্বারস্থ হয়েছিলেন হামজা। এইবার হসপিটালে নিয়ে গেলে তড়িঘড়ি এক্স-রে করার পর অপারেশন টেবিলে নিয়ে যাওয়া হয় হামজাকে।

তার মলাশয়ের অপারেশনের পর বের করা হয় প্রায় আড়াই কেজি সাইজের মলের দলা। যার ফলে মলাশয়ে ক্ষতের সৃষ্টি হয়েছিলো হামজার। অপারেশন করে সেটা বের করা হলেও ততক্ষণে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে মৃত্যু হয়েছে হামজার। তার এই অস্বাভাবিক মৃত্যুতে এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া।

বিজ্ঞাপন
Sanjib:
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন