আপনাদের জন্য আজকে নিয়ে এসেছি একটি সুখবর…. ‘সিভিক পুলিশের’ পর এবার ‘সিভিক শিক্ষক’! কলেজ পাশ করলেই স্কুলে চাকরি, বড় ঘোষণা মমতা ব্যানার্জির.. এখনই জেনে নিন…

স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়সহ সব ধরনের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষাদানের কাজে নিয়োজিতদেরই শিক্ষক বলা হয়। তবে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষকতার কাজে যারা আছেন তাদেরকে শিক্ষক বলা হয় আর কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের অধ্যাপক বলা হয়ে থাকে। শিক্ষকদের জাতি গঠনের কারিগর বলা হয়। কেননা একজন আদর্শ শিক্ষকই পারেন তার অনুসারী দের জ্ঞান ও ন্যায় দীক্ষা দিতে। শিক্ষার্থীর মানবতাবোধ কে জাগ্রত করে একজন শিক্ষক কেবল পাঠদান কে সার্থকই করে তোলেন না, পাশাপাশি দেশের উন্নয়নকে ত্বরাণ্বিত করেন। স্বীয় জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা শিক্ষার্থীদের মাঝে বিতরণ করে তাদেরকে দেশের যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলেন।

source Internet

আপনাদের জন্য আজকে নিয়ে এসেছি একটি সুখবর। গ্রামে গঞ্জে শহরে বেকারত্ব বাড়তে থাকার ফলে রাজ্যে জিডিপির হার কমে যাচ্ছে, আর তার পরিপ্রেক্ষিতেই মুখ্যমন্ত্রী কলেজের পাস আউট ছাত্রদের জন্য নিয়ে চলে এসেছেন এক বিরাট সুযোগ । মাইনে যদিও অনেকটাই কম দুই থেকে আড়াই হাজার টাকা কিন্তু কলেজ থেকে এবার পাশ করে পেয়ে যাবেন গ্রামে-গঞ্জে স্কুলের শিক্ষকের চাকরি।

source Internet

ঘোষণা করলেন মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যদিও বেতন বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে। মাধ্যমিক ও প্রাথমিক স্তরে শিক্ষক নিয়োগের জন্য মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নেতৃত্বে এ বিরাট পদক্ষেপ নিতে চলেছে রাজ্য সরকার। ইতিমধ্যে সোমবার এক সাংবাদিক বৈঠকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেই এই বিষয়ের কথা জনসাধারণের কাছে তুলে ধরলেন।

source internet

ওই দিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “সুন্দরবন, ঝাড়গ্রাম সহ অনেক গ্রামাঞ্চলে শিক্ষক মেলে না। শুধু তাই নয় এসব অঞ্চলে বেকারত্ব সংখ্যা অন্যান্য শহরে তুলনায় অনেকগুণ বেশি। তাই বেকারত্বকে ঘোচানোর লক্ষ্যে রাজ্য সরকার এই পদক্ষেপ নিয়েছে। তার পরিপ্রেক্ষিতেই শিক্ষানিবেশ শিক্ষক (ইন্টার্ন) যোগ করা হবে গ্রামে গঞ্জের এলাকা গুলিতে”।

source Internet

এছাড়াও তিনি বলে জানান, প্রাথমিক স্কুলের যে সব শিক্ষকদের মাসিক বেতন হবে দু’হাজার টাকা এবং মাধ্যমিক স্কুলের শিক্ষকেরা পাবেন আড়াই হাজার টাকা। আর এই পদের জন্য ন্যূনতম স্নাতক পাস হতে হবে।অর্থাৎ কলেজ শেষ হতে না হতেই চাকরি।বর্তমানে প্রথম থেকে চতুর্থ শ্রেণি পর্যন্ত হলো প্রাথমিক বিভাগ। যদিও মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী পরিকল্পনা করছেন, ভবিষ্যতে মাধ্যমিক বিভাগের চাপ কমানোর জন্য পঞ্চম শ্রেণীকেও প্রাথমিক বিভাগে ঢোকানোর।

সেই দিন মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী রেগে গিয়ে সরাসরি শিক্ষা মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় কে প্রশ্ন করলেন, “কোথাও স্কুল দেখা যাচ্ছে তো সেখানে শিক্ষকের অভাব, আবার কোথাও স্কুল নেই সেখানে অতিরিক্ত শিক্ষক রয়েছে,” এটা কেন হবে? এই প্রশ্নের উত্তর শিক্ষা মন্ত্রী দেওয়ার চেষ্টা করলেও মুখ্যমন্ত্রী পরিষ্কার জানিয়ে দেন,‘আমি ও সব বুঝিনা’।

source Internet

শুধু তাই নয়, শিক্ষক-শিক্ষিকাদের ট্রান্সফার নিয়ে যেন কোন গণ্ডগোল না হয় এমনটাই নির্দেশ দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সুতরাং, মাসিক বেতন কম হলেও সরকারের পক্ষ থেকে নেওয়া এই পদক্ষেপে কিছুটা হলেও বেকারত্ব হ্রাস পাওয়ার সম্ভাবনা দেখছে রাজ্য সরকার।

Sanjib: