সবুজ সাগর! আটলান্টিক মহাসাগর সমন্ধে জেনে নিন নানা অজানা তথ্য

আমরা জানি আমাদের এই পৃথিবীতে তিন ভাগ জল এবং এক ভাগ স্থল দ্বারা বেষ্টিত। এই তিন ভাগ জলভাগের বেশির ভাগটাই মহাসমুদ্রের জল। আজকে আমরা পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম মহাসাগর আটলান্টিক মহাসাগর নিয়ে কিছু অজানা তথ্য জানাবো।

চারটি মহাদেশ জুড়ে বিসৃত আটলান্টিক মহাসাগর বিশ্ব বাণিজ্যের জন্যে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বিশ্বের ৫টি মহাদেশ ও শতাধিক দেশ এই মহাসাগরের তীরে অবস্থিত।

এই মহাসাগরের তীরে ইউরোপ, আমেরিকার মতো বিশ্বপরাশক্তিদের অবস্থান হওয়ায়, এই সাগরের রাজনৈতিক অর্থনীতির গুরুত্ব অপরিসীম।

আরও পড়ুন: প্রেম-ট্রেম নয়, শুধুমাত্র ফ্রিতে ভালোমন্দ খাবার খেতেই মেয়েরা ডেটিংয়ে যায়! রিপোর্ট:

এই মহাসগরের আয়তন প্রায় দশ কোটি চৌষট্টি লক্ষ বর্গ কিলোমিটার এবং গভীরতা প্রায় বারো হাজার ফুট।

উত্তর আমেরিকা, দক্ষিন আমেরিকা, ইউরোপ, আফ্রিকা এবং এশিয়া এই ৫টি মহাদেশের প্রায় ১৩৩টি দেশ আটলান্টিক মহাসাগরের তীরে অবস্থিত।

মানচিত্রের হিসাবে দেখতে গেলে এই মহাসাগরের পশ্চিমে রয়েছে উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশ।

পূর্ব দিকে রয়েছে ইউরোপ ও আফ্রিকা মহাদেশ এবং উত্তর দক্ষিণে রয়েছে উত্তর মহাসাগর থেকে দক্ষিণ মহাসাগর পর্যন্ত বিসৃত।

দক্ষিণ আমেরিকার কেফরণের কাছে আটলান্টিক মহাসাগর প্রশান্ত মহাসাগরের সঙ্গে মিলিত হয়েছে।

আর, আফ্রিকার দক্ষিণে কেফ আবুলহাসেনের কাছে ভারত মহাসাগরের সঙ্গে মিলিত হয়েছে।

এই মহাসাগরের সবথেকে গভীরতম স্থানের নাম মিলওয়াকি ডিপ, এই স্থানের গভীরতা প্রায় ২৮ হাজার ফুট।

আটলান্টিক মহাসাগরের সবথেকে বড়ো দ্বীপ গ্রিনল্যান্ড দ্বীপ, এই দ্বীপের আয়তন বাংলাদেশের প্রায় ১৫ গুণ বড়ো।

সম্পর্কিত পোস্ট

এই মহাসাগর হল প্রথম কোনো মহাসাগর, যা জাহাজের সাহায্যের অতিক্রম করা হয় এবং বিমান আবিষ্কারক হবার পর এই মহাসাগর হল প্রথম মহাসাগর,

যেখানে প্রথম বিমান পাড়ি দেয় ১৯১৯ সালে জন আলকক ও আর্থার ব্রাউন নামক দুই বিমান আবিষ্কারকের মাধ্যমে।

আটলান্টিক মহাসাগরে বহু প্রণালি রয়েছে, এগুলির মধ্যে উল্রেখযোগ্য হল-

ডেনমার্গ প্রণালি, ফ্লোরিডা প্রণালি ও ডোভার প্রণালি (বিশ্বের সবথেকে ব্যাস্ত সমুদ্র প্রণালি, প্রতিদিন প্রায় ৪০০ বাণিজ্যিক জাহাজ যাতাযাত করে)।

বছরের শেষে এই মহাসাগর বরফে পরিণত হয়।

আরও পড়ুন: দিশা পাটানির এই হট ফটো শুট গুলো দেখলে রাতে ঘুম আসবে না।

অনান্য মহাসাগরের জলের রং নীল হলেও এই মহাসাগরের জলের রং সবুজ, এর সবথেকে বড় কারণ হল-

এই মহাসাগরের তলদেশে মৃত জলজ উদ্ভিদ থেকে এক ধরণের হলুদ রঙের রঞ্জক পদার্থ নিঃসরিত হয়ে জলের সঙ্গে মিশে সবুজ রং করে দেয়।

এছারা আটলান্টিক মহাসাগরের মধ্যে সূর্যের সাতটি রঙের মধ্যে সবুজ রংটি বেশি বিচ্ছুরিত হয় যার ফলে জলের রং নীলের পরিবর্তে সবুজ দেখায়।

আরও পড়ুন: ফেসবুকে ছড়াচ্ছে করোনা ভাইরাস সংক্রান্ত ভুয়ো খবর, খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেবে ফেসবুক!

বাণিজ্যের দিক থেকে সব মহাদেশের মধ্যে যোগাযোগ স্থাপন করেছে এই মহাসাগর, যার ফলে এই মহাসাগরকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে বহু বন্দর।

আশা করা যায় বৈম্জানিকদের অসাধারণ কিছু তথ্যের মাধ্যমে এই আটলান্টিক মহাসাগর থেকে অজানা আরও অনেক তথ্য খুঁজে পাব।

বাংলায় ভাইরাল ভাইরাল খবর, লেটেস্ট নিউজ, বিনোদনমূলক পোস্ট ও আন্তর্জাতিক খবর পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ-Bengali Viral News
আরও পড়ুন: স্বল্প পোশাকে এতটা উত্তেজক পালোমা! দেখুন এই বিকিনি সুন্দরীর উষ্ণ ছবি

Amit Kumar Ghosh:
সম্পর্কিত পোস্ট
Leave a Comment
সাম্প্রতিক পোস্ট