ট্যাটু তো করেন জানেন ট্যাটুর ইতিহাস, জানলে চমকে যাবেন…

ট্যাটুর ইতিহাস:  👇   👇 

শুরুর দিকে ভারতে ট্যাটুর প্রচলন ছিল একদম ভিন্ন। ভারতে ট্যাটুকে মনে করা হত স্বাধীনতা এবং বিদ্রোহের প্রতীক।

সেই সময় ভারতের অনেক নারীকে ট্যাটু করতে বাধ্য করা হতো।

এমনকি বিয়ের সময় বাধ্যতামূলক ট্যাটু করতে হতো শরীরের বিভিন্ন জায়গায়। হাতে পায়ে বিভিন্ন জায়গায় আর ট্যাটু ছিল ঐ সময়ে সবচেয়ে জনপ্রিয় একটি পরিচয়।

যদি কোনো মেয়ে তখন শরীরে ট্যাটু না করত তাকে যৌন নিপীড়নের স্বীকার হতে হতো।

আরও পড়ুন: কীভাবে যৌনশক্তি বাড়াবেন? এখনই জেনে নিন যৌনশক্তি বাড়ানোর ঘরোয়া পদ্ধতিগুলিঃ

ভারতের লখনৌ বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃতাত্ত্বিক কেয়া পাণ্ডের গবেষণায় উঠে আসে, সেই সময় উপজাতীয় সম্প্রদায়ের মধ্যেই সবচেয়ে বেশি ট্যাটুর প্রচলন ছিল।

অনেক প্রচলন আর ডিজাইন হিসেবে তারা উদ্ভিদ ও প্রাণীর ছবি আঁকাতে পছন্দ করত।

এমনকি বন্দী, চাকর ক্রীতদাস এবং জাতি চিহ্নিত করার জন্য ট্যাটু ব্যাবহার করা হত।

অনেক সময় একটি নারীর বাবা বা স্বামীর নামের মালিকানা বোঝাতে ট্যাটু ব্যবহার হত।

আরও পড়ুন: ‘নিজের’ সঙ্গে সম্পর্ক ভাল রাখাটাই আসল, তাই নিজেকে যত্নে রাখতে মেনে চলুন এই নিয়মগুলি:

ট্যাটু করার প্রক্রিয়াটা ছিল খুব কষ্ট সাধ্য ও যন্ত্রণাকর। একটি বড় আকৃতির সুচ আগুনে তাপ দিয়ে শরীরের উপর ডিজাইন করা হতো। আর সুস্থ হতে প্রায় একমাস সময় লেগে যেত।

এতে অনেক সময় ইনফেকশন হয়ে মারা যাওয়ার সম্ভাবনাও থাকত।ট্যাটু করার সময় কেউ কতটুকু যন্ত্রণা সহ্য করতে পারেন তার ভিত্তিতে সাহস নির্ধারণ করা হতো।

ট্যাটু করার সময় কেউ কতটুকু যন্ত্রণা সহ্য করতে পারেন তার ভিত্তিতে সাহস নির্ধারণ করা হতো।

আরও পড়ুন: ভারতের এই ৫ জন পুরুষ তারকার অসংখ্য মহিলা ফ্যান রয়েছে,নম্বর ১ সবার প্রিয়:

যদি কেউ ট্যাটু করাতে না চান বা অর্ধেক ট্যাটু করে পালিয়ে আসেন তবে তা ভয়ানক অপরাধ। তার জন্য পরিবারকে একঘরে করে দেওয়া হত।

কেউ অভিযোগ করতে চাইলে তাকে কঠিন শাস্তি দেওয়া হত। বিশেষত উপজাতীয় অঞ্চলের পুরুষ এবং মহিলারা ট্যাটু বেশি পরত।

El tatuaje de Dios, Ramnami Samaj

বাংলায় ভাইরাল ভাইরাল খবর, লেটেস্ট নিউজ, বিনোদনমূলক পোস্ট ও আন্তর্জাতিক খবর পড়তে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ-Bengali Viral News

Malay Chakraborty: