সংবাদ

বিশ্বের ১০টি সর্বাধিক দামী ব্রান্ড, জানেন সেই দামী ব্র্যান্ডের নাম গুলি? ১ নং এ কে আছে জেনে নিন….

ব্র্যান্ড হচ্ছে একটি নাম, একটি টার্ম বা পরিচিতি, একটি সাইন বা নিদর্শন (স্মারকচিহ্ন), একটি সিম্বল বা প্রতীক এবং ডিজাইন বা নকশা (পরিকল্পনা) কিংবা সবগুলোর একটি সুসমন্বিত রূপ যা কোনো বিক্রেতা বা বিক্রেতা গোষ্ঠীর পণ্য ও সেবার নিজস্ব পরিচিতি গড়ে তোলে এবং প্রতিযোগীদের চেয়ে আালাদাভাবে উপস্থাপন করে। এটি শেয়ারহোল্ডারদের মূল্য বৃদ্ধির জন্য বিপণনসংক্রান্ত বিনিয়োগ সঠিকভাবে পরিচালনায় সাহায্য করে।

সারা বিশ্বে ব্র্যান্ড তো প্রচুর রয়েছে। রয়েছে তাদের নানারকম ভ্যালুও। কিন্তু সারা পৃথিবীতে কোন ব্র্যান্ড কত নম্বরে আর তাদের ব্র্যান্ড ভ্যালুই বা কত এবার তা দেখে নেওয়া যাক।

১) অ্যাপল-  তবে বিশ্বের সবচেয়ে মূল্যবান ব্র্যান্ডগুলির মধ্যে যে ব্র্যান্ড শীর্ষে রয়েছে তা অ্যাপল। আমেরিকার এই মাল্টিন্যাশনাল টেকনোলজি কোম্পানি কম্পিউটর এবং মোবাইলের যাবতীয় জিনিস তৈরি করে। তবে এর ব্র্যান্ড ভ্যালু বাকি অন্য কোম্পানিগুলির তুলনায় একধাপে অনেকটাই এগিয়ে।এখকার সেরা ব্র্যান্ড অ্যাপল।

২) গুগল- ইন্টারনেট চালালেই আমরা সবার আগে যে ছবিটা দেখতে পাই সেটা গুগলের। যে কোনও কিছু জানতে চাওয়া হয় এর কাছে। এটিও আমেরিকার একটি মাল্টিন্যাশনাল টেকনোলজি কোম্পানি। ইন্টারন্ট এবং কম্পিউটর সফটওয়্যার নিয়েই এদের ব্যবসা। সারা বিশ্বের সমস্ত মানুষই এদের গ্রাহক।

৩) মাইক্রোসফট- মাইক্রোসফটের নাম আজ আমাদের কাছে অতি পরিচিত। এটি আমেরিকার একটি মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানি। কম্পিউটরের যাবতীয় সফটওয়্যার তৈরি করে এই কোম্পানি। বহু বছর ধরে বিভিন্ন নতুন নতুন সফটওয়্যার তৈরি করে আসছে এরা। আর তাই এদের ব্র্যান্ড ভ্যালুও ইর্ষনীয়। গ্রাহকদের সফটওয়্যার থেকে শুরু করে অপারেটিং সিস্টেম সবই সবসময় আপডেটেড ভার্সন দিয়ে থাকে।

৪) কোকা-কোলা- দি কোকা-কোলা কোম্পানি হচ্ছে পৃথিবীর সবচেয়ে বিখ্যাত কোমল পানীয় নির্মাতা প্রতিষ্ঠান।কোকা-কোলা ব্র্যান্ড এর অনেকগুলো পৃথক পানীয় রয়েছে যেমন- ডায়েট কোক, ফানটা, স্প্রাইট, কোকা-কোলা জিরো, পাওয়ারেইড, মিনিট মেইড, সিমপ্লি এবং জর্জিয়া। কোকা-কোলা প্রতিষ্ঠিত হয় আটলান্টা, জর্জিয়া, ইউএস এ। কোকা-কোলায় বর্তমানে কর্মী আছেন ১২৯,২০০ এবং প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে রয়েছেন এহ্মেত কেন্ট।

৫) অ্যামাজন- ইন্টারনেট বেসড রিটেলার কোম্পানিগুলির মধ্যে অ্যামাজন সর্ববৃহত্ কোম্পানি। এটি প্রধাণত আমেরিকার কোম্পানি হলেও এর ব্যবসা সারা পৃথিবী জুড়ে। গয়না থেকে খাবার, খেলনা থেকে আসবাবপত্র, সবই রয়েছে এর কাছে। অর্ডার করা মাত্র এরা পৌঁছে দেবে আপনার কাছে। এদের এই দ্রুত পরিষেবা এদের গ্রাহক সংখ্যা দিনের পর দিন ক্রমশ বাড়াচ্ছে।

৬) স্যামসুং – দক্ষিণ কোরিয়ার মাল্টিন্যাশনাল কংগ্লোমারেট কোম্পানি স্যামসং। ১৯৩৮ সাল থেকে সারা বিশ্ব জুড়ে এদের ব্যবসা। বিশেষত মোবাইল এবং কিছু ইলেকট্রনিকস দ্রব্যও প্রস্তুত করে এই কোম্পানি। যদিও এরা মোবাইল কোম্পানি হিসেবেই বেশি পরিচিত। এর ব্র্যান্ড ভ্যালু ৮৩ বিলিয়ন ইউএসডি।

৭) টয়োটা- টয়োটা মোটর কর্পোরেশন পৃথিবীর অন্যতম মোটর গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান।টয়োটা মোটরস প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৩৭ সালে। সদর দপ্তর টয়োডা, জাপান। প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আকিও টয়োডা। কর্মী সংখ্যা ৩৩৮,৮৭৫ জন।

৮) ফেসবুক- ফেসবুক এই মুহূর্তে পৃথিবীর সবচেয়ে বিখ্যাত সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইট। মানুষ ফেসবুক ব্যবহার করে তার পরিবার ও বন্ধুদের সাথে সম্পৃক্ত থাকার জন্য, তার চারপাশে কি ঘটছে জানার জন্য, নিজের অনুভূতি সবার সাথে শেয়ার করার জন্য। ফেসবুক প্রতিষ্ঠিত হয় ২০০৪ সালে। ফেসবুকের বর্তমান হেডকোয়ার্টার মেনলো পার্ক, ক্যালিফোর্নিয়া, ইউএস।প্রতিষ্ঠানটির সি ই ও মার্ক জাকারবার্গ।কর্মী সংখ্যা ৯১৯৯ জন।

৯) চায়না মোবাইল- এখন বেশিরভাগ মানুষের হাতে হাতে যে মোবাইল দেখা যায় তা অবশ্যই চায়না মোবাইল। সারা বিশ্বে এর সাবস্ক্রাইবারের সংখ্যাটা নেহার কম নয়। ৮০৬ মিলিয়ন সাবস্ক্রাইবার নিয়ে চায়না মোবাইল কোম্পানি বিশ্বের সর্ববৃহত্ মোবাইল ফোন অপারেটর। আর তাই বিশ্বের মূল্যবান ব্র্যান্ডগুলির মধ্যে এর স্থান ৯ নম্বরে।

১০) আই-বি-এম- ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস ম্যাশিন ( আই বি এম ) আইবিএম মুলত পাঁচটি ভাগে সেবা প্রদান করে থাকে – গ্লোবাল টেকনোলজি সার্ভিসেস, গ্লোবাল বিজনেস সার্ভিসেস, সফটওয়ার, সিস্টেম টেকনোলজি এবং গ্লোবাল ফিনান্সিং। ১৯১১ হালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে আইবিএম কম্পিউটার সার্ভিসিং বিজনেসে পাইওনিয়ার হিসেবে আছে। আইবিএম এর বর্তমান সদর দপ্তর আর্মনক, নিউ ইয়র্ক, ইউএস। ২০২৫ সাল পর্যন্ত আইবিএম এ প্রায় ৩৭৯,৫৯২ জন কর্মী রয়েছেন। প্রতিষ্ঠানটির বর্তমান সি ই ও হচ্ছেন ভার্জিনিয়া রমেটী।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *