চোখে জল নিয়ে প্রচারসঙ্গীর শেষযাত্রায় দেহ কাঁধে তুলে নিলেন স্মৃতি ইরানি:

বিজ্ঞাপন

সুরেন্দ্রর দেহ বাড়িতে পৌঁছতে না পৌঁছাতেই গোটা গ্রামে নেমে আসে শোকের ছায়া। এ বছরের নির্বাচনে আমেঠীতে স্মৃতি ইরানির সঙ্গে তাকে সব সময়ই দেখা গিয়েছিল। স্থানীয় অধিবাসীদের দাবি, স্মৃতি ইরানি’র জয়ের নেপথ্যে এই সুরেন্দ্র’ই নাকি অন্যতম প্রধান কারিগর ছিলেন।

তার ছায়াসঙ্গী খুন হয়ে, খবরটা পাওয়ার পর স্থির থাকতে পারেননি আমেথি থেকে সদ্যজয়ী বিজেপি সাংসদ স্মৃতি ইরানি। ছুটে আসেন বারাউলি গ্রামে।

সুরেন্দ্রর শেষ যাত্রায় কাঁধ দিতেও দেখা গিয়েছে স্মৃতিকে। এই গ্রামেই নিজের বাড়িতে শনিবার রাতে দুষ্কৃতীদের গুলিতে খুন হন স্মৃতির নির্বাচনী প্রচারের সর্বক্ষণের সঙ্গী সুরেন্দ্র সিংহ।

রবিবার সুরেন্দ্রর দেহ বাড়িতে পৌঁছতেই গোটা গ্রামে শোকের ছায়া নেমে আসে। এ বারের নির্বাচনে অমেঠীতে স্মৃতি ইরানির সঙ্গে তাঁকে সর্বক্ষণ দেখা গিয়েছিল। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, স্মৃতি ইরানির জয়ের নেপথ্যে এই সুরেন্দ্রই ছিলেন অন্যতম প্রধান কারিগর।

সেই ঘনিষ্ঠ সঙ্গীর মৃত্যুর খবর শুনেই বারাউলিতে পৌঁছে যান স্মৃতি ইরানি। পরিবারকে সান্ত্বনা দেওয়াই শুধু নয়, স্মৃতিকে দেখা গিয়েছে সুরেন্দ্রর শেষযাত্রায় সামিল হতেও।

বারাউলি গ্রামের প্রাক্তন প্রধান ছিলেন বছর পঞ্চাশের সুরেন্দ্র। এ বারের নির্বাচনে স্মৃতি ইরানির হয়ে প্রচারে অমেঠীর নানা প্রান্তে ঘুরে বেড়িয়েছেন। শনিবার রাতে বাড়িতে ঘুমোচ্ছিলেন সুরেন্দ্র। সে সময়েই দুষ্কৃতীরা বাড়িতে ঢুকে পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জ থেকে গুলি করে খুন করে সুরেন্দ্রকে।

তবে, এই ঘটনায় জড়িত সন্দেহে পুলিশ ইতিমধ্যেই দু’জনকে আটকও করেছে। আমেঠি’র পুলিশ সুপার জানিয়েছেন যে, রাজনৈতিক কারণে খুন না-কি কোনো ব্যক্তিগত শত্রুতার জেরেই এই ঘটনা, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

লেটেস্ট লেটেস্ট নিউজ ও ভাইরাল খবর পড়তে আমাদের সঙ্গে থাকুন। ধন্যবাদ।

বিজ্ঞাপন
Jayanta Das:
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন