অতি আনন্দে আর দুঃখ পেলে মানুষের চোখে জল আসে কেন?

তার আগে জানতে হবে মানুষ কেন হাসে এবং কেন কান্দে…তার কারণ হলো আমরা যখন কোনো কারণে অনেক সুখের অনুভুতি নিতে পারি তখন আমাদের আত্মাটা আবেগপ্রবণ হয়ে উঠে..আর সেই আত্মাটা সরাসরি আমাদের চক্ষু গ্রন্থির সাথে সম্পৃক্ত তাই আমরা কান্না করি কিংবা সুখের অনুভুতিতে চোখে জল আসে..তেমনি দুখের সময় ও এমনটা হয়..

জীবনেও কাঁদেনি এমন মানুষ কি খুঁজে পাওয়া যাবে না? আর এক এক জনের কান্নার ধরন এক এক রকম। তবে যত ধরনই থাকুক না কেন, সব কান্নাতেই আছে চোখের জল। কেউ কাঁদছে অথচ চোখে পানি নেই, এমনটা সাধারণত হয় না।

আসলে আমরা যখন খুব বেশি পরিমাণে আবেগঘন হয়ে পড়ি তখন আমাদের দেহের ভেতর বেশ কিছু প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। এই অতি আবেগের ফলস্বরূপ কিছু রাসায়নিক পদার্থ ও হরমোন নিঃসরণ হয় দেহের বিশেষ অংশ থেকে। যা আমাদের দেহের স্বাভাবিক অবস্থার চেয়ে বেশি।

এই অতিরিক্ত রাসায়নিক পদার্থ ও হরমোন আমাদের দেহে এক ধরনের অস্বস্তি তৈরি করে। তারই ফলস্বরূপ চোখের ল্যাক্রিমাল গ্রন্থি থেকে পানি বের হয়ে আসে। এটাকেই আমরা বলি কান্না।

গভীর আবেগের সময় কান্না আমাদের দেহের জন্য বেশ উপকারী। মানুষ যখন গভীর কোনো আবেগে (দুঃখ, রাগ বা সুখ) কাঁদে তখন তার দেহ থেকে এইসব রাসায়নিক পর্দাথ ও হরমোন চোখের পানি হিসেবে বেরিয়ে আসে।

আর এই কারণেই কান্নাকাটির পর অনেকে বেশ হালকা ও আরামবোধ করেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *