আন্তর্জাতিক

ভয়ঙ্কর শাস্তি: সেনাপ্রধান’কে রাক্ষুসে মাছ পিরানহা ভর্তি জলাশয়ে ফেলে দিল কিম জং!

ভয়ঙ্কর: সেনাকর্তা’কে রাক্ষুসে মাছ পিরানহা ভর্তি জলে ফেলে মৃত্যুদণ্ড!

উত্তর কোরিয়ার সর্বোচ্চ নেতা কিম জং উনের উত্তর কোরিয়ায় মৃত্যুদণ্ড শাস্তি দেওয়ার নানা রকমের নৃশংস পদ্ধতি’র কথা তো মাঝে মাঝেই উঠে আসে সংবাদমাধ্যমে থেকে শুরু করে নানা সোশ্যাল মিডিয়ায়। আর এবার সেই তালিকায় রাক্ষুসে মানুষখেকো মাছ পিরানহার ব্যবহার যোগ হলো।

তার রাজত্বে উত্তর কোরিয়ায় বিরোধিতার শাস্তি যে এতো ভয়ঙ্কর, এই বার্তা সারা দেশবাসীকে প্রথমেই কিম জং উন জানিয়ে দিয়েছিলেন।

গোপন সূত্রের খবর, এবার এক সেনাকর্তা’কে রাক্ষুসে পিরানহা মাছ ভর্তি জলাশয়ে ফেলে দেওয়া হয়। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ, কিম জং উনের বিরুদ্ধে তিনি নাকি সামরিক অভ্যুত্থানের ষড়যন্ত্র করছিলেন।

আর এ খবর ভয়ঙ্কর অত্যাচারী উত্তর কোরিয়ার সর্বোচ্চ নেতা কিম জং উনের কানে আসতেই এই শাস্তি।

এর আগে, ২০১৫ সালে তৎকালীন সেনা-প্রধান হিয়ং ইয়ং চল’কে কামানে’র গোলার সামনে দাঁড় করিয়ে খুন করা হয়। তারপরের সেনাপ্রধান রি ইয়ং গিল’কেও ভয়ঙ্কর মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়।

এর ফলে কিম জং উনের এ রকম কার্যকলাপে অবাক নন ব্রিটিশ গোয়েন্দারাও। তাদের মতে, সেখানকার বিদ্রোহীদের মধ্যে ভয়ঙ্কর আতঙ্ক এবং ভয়ের বার্তা দিতেই কিম জং উনের এ ধরণের সিদ্ধান্ত, যা নাকি একান্তই কিম-সুলভ।

গোপন সূত্রের খবর অনুযায়ী, উত্তর কোরিয়ার রাজধানী শহর পিয়ংইয়ংয়ে কিম জং উনের প্রাসাদের ভিতরের একটি বিশাল জলাশয়ে ব্রাজিল থেকে আমদানি করা কয়েক’শো রাক্ষুসে মানুষখেকো পিরানহা মাছ রাখা আছে।

সূত্রের খবর অনুযায়ী, প্রথমে ওই সেনাকর্তার হাত পা ধারালো অস্ত্র দিয়ে চিরে দেওয়া হয়, যাতে রক্তের গন্ধে ভয়ঙ্কর পিরানহা মাছগুলি তাকে আক্রমণ করে এক সাথে। এর পরে তাকে ফেলে দেওয়া হয় ওই রাক্ষুসে মানুষখেকো পিরানহা মাছ ভর্তি জলাশয়ে। তবে, শেষ পর্যন্ত তিনি পিরানহার কামড়ে মারা গেলেন, নাকি ডুবে, নিশ্চিতভাবে জানা সম্ভব হয় নি।

অনেকেই মনে করছেন যে, জেমস বন্ডের ১৯৬৫ সালের মুক্তি প্রাপ্ত চলচ্চিত্র “ইউ অনলি লিভ টোয়াইস” থেকেই কিম জং উন হয়তো এই ভয়ঙ্কর হত্যার ছক কষেছেন।

সেখানেও ওই ছবির খলনায়ক ব্লোফিল্ডের ঠিক এ রকমই একটি পিরানহা মাছে ভরা পুকুর ছিল, যেখানে ছুড়ে ফেলে তার সহকারী হেলগা ব্র্যান্ড’কে সে খুন করার ফন্দি করেছিল।

হিন্দি চলচ্চিত্রেও এ ধরণের ভয়ঙ্কর খুনের অনেক উদাহরণ রয়েছে। “খুন ভরি মাঙ্গ” চলচ্চিত্রটিতে যেমন রেখা অভিনীত চরিত্রে একটি কুমির ভর্তি পুকুরে ফেলে মারতে চেষ্টা করে ভিলেন কবীর বেদী। “এক হাসিনা থি” চলচ্চিত্রটিতেও সইফ আলি খানকে ইঁদুর ভর্তি গুহায় বেঁধে রেখে আসেন অভিনেত্রী ঊর্মিলা মাতন্ডকর।

প্রতিবেদনটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন আপনার বন্ধুদের সাথে। ধন্যবাদ।।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *