আজব কান্ড! স্যানিটারি ন্যাপকিনেও নাকি চড়ছে চরম নেশা! বিস্তারিত পড়ুন:

বিজ্ঞাপন

সূত্রের রিপোর্ট অনুযায়ী, স্যানিটারি প্যাড জলে কিছুক্ষন ফোটালে, স্যানিটারি প্যাডে থাকা ক্লোরিন ও বেশ কিছু রাসায়নিক দ্রব্য জলের সাথে মিশে যায়৷ আর এই মিশ্রণটিই নাকি উত্তপ্ত করার ফলে, মানুষের মধ্যে এক প্রকার ভ্রান্ত দর্শন ও তীব্র নেশা’র অনুভূতি তৈরি হয়৷

এমন কথা শুনেছেন কখনও? স্যানিটারি ন্যাপকিনও নেশার বস্তু! এমন কথা শুনেছেন কখনও? আপনি না শুনলেও এটা কিন্তু সত্যি! ইন্দোনেশিয়াতে এই হুজুগেই মেতেছেন তরুণ-তরুণীরা। মদ-গাঁজা’কে একেবারে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে তাঁরা স্যানিটারি ন্যাপকিন গরম জলে সেদ্ধ করে, সেই জল দিয়ে নেশা করছে।

আর পড়ুন: বাংলার এই বেকার ছেলে ইউটিউবে বেকারদের উপদেশ দিয়েই মাসে হাজার হাজার টাকা রোজগার করছে! জেনে নিন:

এক রিপোর্ট থেকে জানা গেছে নাকি, এই নেশা করা বেশ কিছু তরুণ-তরুণী ইতিমধ্যেই গ্রেফতার হয়েছে জাভা থেকে৷ আর আটকদের জেরা করেই নেশা করার এই পদ্ধতি সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পারে প্রশাসন।

কিভাবে বানাচ্ছে এই নেশার দ্রব্যটি? উত্তরে সংবাদ মাধ্যম’কে এক কিশোর জানিয়েছে, প্রথমে স্যানিটারি ন্যাপকিন’টিকে ৩০ মিনিট ধরে গরম জলে ফোটানো হয়৷ তারপর, তার থেকে সব জল বের করে কন্টেনারে ভরে রাখা হয়৷স্বাদ একটু তেতো! ঠান্ডা হলে এই তেতো জল প্রায় সারাদিন ধরেই একটু একটু করে পান করে এখানকার তরুণ-তরুণীরা৷ সূত্রের রিপোর্ট অনুযায়ী জানা গেছে, মূলত, সস্তার নেশার জন্যই এই নেশায় ঝোঁকে এই নেশার আসক্ত হচ্ছে এখানকার তরুণ প্রজন্ম।

আর পড়ুন: এখন আপনি ট্রেনের টিকিটে স্টেশন ও যাত্রীর নামও বদলানো পারবেন! জেনে নিন কিভাবে:

স্যানেটারি ন্যাপকিনের এই নেশা প্রসঙ্গে সে দেশের নারকোটিক বিভাগের তরফ থেকে জানা গেছে যে, যাদের আর্থিক অবস্থা একেবারেই খারাপ, মূলত তারাই এই সস্তা নেশায় বুঁদ হয়ে থাকছে। আসলে ইন্দোনেশিয়া’তে নাকি একেবারেই সস্তায় পাওয়া যায় স্যানিটারি ন্যাপকিন। কাজেই অল্প পয়সায় স্যানিটারি ন্যাপকিন দিয়ে নেশা করা বেশ সহজ হয়ে উঠেছে এখানে।

ইন্দোনেশিয়া ন্যাশানাল ড্রাগ এজেন্সি’র (বিএনএন) রির্পোট অনুসারে, স্যানিটারি ন্যাপকিন জলে ফোটালে, এর মধ্যে থাকা ক্লোরিন ও বেশ কিছু রাসায়নিক পদার্থও জলে মিশে যায়৷ আর এই মিশ্রণটি উত্তপ্ত করলে মানুষের মধ্যে এক প্রকারের ভ্রান্ত দর্শন ও তীব্র নেশার অনুভূতি তৈরি হয়৷ আর, এতেই মজেছে ইন্দোনেশিয়া’র তরুণ প্রজন্মের একাংশ৷

স্বাভাবিক ভাবেই এ রকম চাঞ্চল্যকর তথ্যে ইতিমধ্যেই কপালে ভাঁজ পরেছে সেখানকার প্রশাসনের। এ বিষয়ে তদন্তও শুরু হয়ে গেছে।

প্রতিবেদনটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন আপনার বন্ধুদের সাথে। ধন্যবাদ।।
সূত্র

বিজ্ঞাপন
Jayanta Das:
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন