ভারতের এই ৬ জন পেশাদার ভিখারীর ধন সম্পত্তি আপনাকেও লজ্জায় ফেলে দিতে পারে…

বিজ্ঞাপন

আমাদের দেশ হল দরিদ্রের দেশ । এখানে অনেক অনেক মানুষ আছেন যারা অনেক কষ্টে নিজেদের জীবন অতিবাহিত করে চলেছে । দেশের সরকার তাদের জন্য হয়তো অল্প কিছু সাহায্য, আবার কিছু স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা আছে যারা এধরনের মানুষদের সাহায্য করে থাকে। কিন্তু তাতে তাদের আর কতদিন চলে। তাই তারা নিজেদের পেট চালানোর জন্য ভিক্ষবৃত্তিকেই পেশা হিসাবে বেছে নিয়েছে।

আমরা পথ চলতে এমন কিছু মানুষকে দেখতে পাই যারা ভিক্ষা করে। তাদের চেহারা ও পোশাকে স্পষ্ট ফুটে ওঠে দারিদ্রতার ছাপ। তাই আমাদের দয়া হলে তাদের কিছু টাকা দিয়ে সাহায্য করি।

আবার মনে মনে তাদের কথা ভেবে কষ্ট পাই যে তারা কত দুঃখে দিন কাটাচ্ছে। কিন্তু আজ আপনাদের এমন ৬ জন ভিখারির কথা বলবো যা শুনে আপনার ভিখারিদের সম্পর্কে যা ধারনা আছে তা বদলে যাবে।

৬। মাসু মালানা ঃ- তিনি প্রতিদিন এক পেশাদারী ব্যাক্তির মত অটোরিক্সা চেপে লোখান্ডওয়ালা নামের জায়গায় যান। তারপর সেখানে নিজের পোশাক পরিবর্তন করে ভিক্ষা করতে থাকেন যতক্ষণ না সেখানে লোকজন কমে আসতে থাকে।

৫। লক্ষ্মী দাস ঃ- এনার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে রয়েছে প্রচুর টাকা। তিনি ৪৪ বছর ধরে ভিক্ষা করছেন। তিনি তার রোজকারের টাকা বেশিরভাগ জমিয়ে রাখেন। কোথাও টাকার লেনদেনের ব্যাপার থাকলে ক্রেডিট কার্ড ব্যাবহার করেন।

৪। সাম্ভাজি কালে ঃ- সাম্ভাজির পরিবারে মোট ৪ জন সদস্য। তার নিজের একটি ফ্ল্যাট আছে ভিরা এলাকায়। সোলাপুরে একটি জমিও আছে। মুম্বাইয়ের খার এলাকায় তাকে ভিক্ষা করতে দেখা যায়। তিনি ভিক্ষা করলেও সেটা তার কাছে বাকি পেশাদারী মানুষের মতই পেশা। বর্তমানে তিনি বেশ সুখ স্বাচ্ছন্দ্যেই জীবন যাপন করছেন।

৩। সারভাটিয়া দেবী ঃ- ইনি পাটনায় অশোক সিনেমা হলের পিছনে ভিক্ষা করেন। তার স্বামী মারা যাওয়ার পর তিনি এই পেশায় নামেন। তিনি ২৫ বছর ধরে এই কাজ করে চলেছেন। তার নিজের নামে প্রতি বছর দুটি ইন্স্যুরেন্সের ৩৬০০০ টাকা করে জমা দেন।

২। কৃষ্ণা কুমার ঃ- কৃষ্ণা মুম্বাইয়ে সিপি ট্যাঙ্ক এলাকায় ভিক্ষা করেন। তাকে দেখে একদম বোঝা যাবেনা যে তার বছরে কত আয়। তার বছরে এত আয় যে তিনি একটি ২৫ লাখ টাকা দামের নিজস্ব ফ্ল্যাট কিনেছেন।

১। ভারত জৈন ঃ- ইনি হলেন ভারতের সবচেয়ে ধনী ভিখারি। তার নিজস্ব দুটি ফ্ল্যাট আছে। আর একটি দোকান আছে যা ভাড়া দেয় তিনি। সেখান থেকে ভাড়া হিসাবে তিনি ১০ হাজার টাকা পান। আর তার ভিক্ষা করে মাসিক আয় ৬০ হাজার টাকা। তিনি ভিক্ষা করেন মুম্বাইের প্যারেল এলাকায়।

বিজ্ঞাপন
Sanjib:
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন