স্কুলের মধ্যেই চলছে চুটিয়ে ‘প্রেম’, রুখতে এবার আলাদা করে ক্লাস!

বিজ্ঞাপন

ছাত্রছাত্রী’রা স্কুলের মধ্যে খালি ‘প্রেম’ করছে, এই অভিযোগে এবার ছাত্রছাত্রীদের আলাদা করে ক্লাস নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিল স্কুল কর্তৃপক্ষ!

প্রতিকি

মালদহ জেলার হবিবপুর ব্লকের বুলবুলচণ্ডী গিরিজাসুন্দরী বিদ্যামন্দির কর্তৃপক্ষের এ সিদ্ধান্তে বিতর্ক শুরু হয়েছে এই এলাকায়। বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে যে, ছাত্রছাত্রীদের কিছু ‘আচরণে’র জেরেই নাকি এই সিদ্ধান্ত।

প্রতিকি

কিন্তু, স্কুলের ছাত্রছাত্রীরা এবং অভিভাবকদের একাংশের প্রশ্ন, ছাত্রছাত্রীদের আচরণ যেমনই হোক না কেন, এ সিদ্ধান্ত কি স্কুল কর্তৃপক্ষ নিতে পারেন?

আবার ওই একই প্রশ্ন তুলেছেন ওই এলাকার বিশিষ্টেরাও। তবে, জেলা স্কুল পরিদর্শক জানিয়েছেন, তিনি বিষয়টি খোঁজ নেবেন।

Schools girls in the classroom as a part of SSA

মালদহের বুলবুলচণ্ডী গিরিজাসুন্দরী বিদ্যামন্দিরে পঞ্চম ক্লাস থেকে দ্বাদশ ক্লাস পর্যন্ত পড়ানো হয়। এর মধ্যে মাধ্যমিক পর্যন্ত এটি শুধু ছাত্রদের স্কুল।

প্রতিকি চিত্র

আর, উচ্চ মাধ্যমিক স্তরে ছাত্র ছাত্রী উভয়ই পড়ে। ওই বিদ্যালয় সূত্রে জানা গিয়েছে যে, একাদশ শ্রেণিতে ছাত্রছাত্রী’র মোট সংখ্যা ২০১। তার মধ্যে ৪০ জন ছাত্রী।

প্রতিকি

আর, দ্বাদশ শ্রেণি’তে মোট ২২৬ জন পড়ুয়ার মধ্যে ছাত্রী সংখ্যা ৩৫। তবে, ওই স্কুলের শিক্ষকদের একাংশের দাবি, এই দুই ক্লাসে নাকি কাগজের টুকরো দেওয়া-নেওয়ার প্রথা চলছে বিস্তর!

প্রতিকি চিত্র

অনেকের আবার দাবি, মেয়ে’দের রুমের সামনে ছাত্র’দের লাইন বা স্কুলের মধ্যে হাতে হাত ধরে হেঁটে যাওয়াও নিয়মিত চোখে পড়ে শিক্ষকদের। ফলে, পড়াশোনা একেবারে শিকেই উঠেছে।

প্রতিকি

এদিকে স্কুলেরই এক শিক্ষিকা জানিয়েছেন যে, “নিষেধ করলে নাকি ক্লাসের মধ্যেই তারা বিড়াল-কুকুরের ডাক ডাকে! ফলে, এর প্রভাব নিচু ক্লাসের ছাত্রদের উপরেও পড়ছে।” ইতিমধ্যেই ছাত্রদের ক্লাস থেকে সাসপেন্ড শুরু করে অভিভাবকদের ডেকেও নালিশ জানানো হয়েছে। কিন্তু, কিছুতেই কিছু হয়নি।

প্রতিকি

অবশেষে, ছাত্রছাত্রী’দের আলাদা আলাদা দিনে ক্লাসের ব্যবস্থা করেছে স্কুল।

সূত্র – আনন্দবাজার

প্রতিবেদনটি ভাল লাগলে শেয়ার করুন আপনার বন্ধুদের সাথে। ধন্যবাদ।।

বিজ্ঞাপন
Jayanta Das:
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন