কি ভয়াবহ দৃশ্য, প্রাণভয়ে ছুটে পালাচ্ছে পুলিশ আর তাঁরই পিছনে ক্ষিপ্ত জনতা!

বিজ্ঞাপন

এক অফিসার প্রাণ-ভয়ে পালাচ্ছে আর তার পেছনে তাড়া করছে ক্ষিপ্ত জনতা। আবার, তাকে হাতের কাছে পেয়েও কখন মারা হচ্ছে তো কখনও টানা-হেঁচড়া চলছে ব্যাপক! এমনই এক ভয়াবহ দৃশ্য ওড়িশার বালেশ্বর জেলা’র বালিয়াপাল এলাকায় দেখা গেল।

সূত্রে মাধ্যমে জানা গেছে যে, এক ষোল (১৬) বছরের হোটেল কর্মী’র ঝুলন্ত মৃতদেহ উদ্ধারে’র ঘটনাকে কেন্দ্র করেই উত্তাল। ‘পুলিশ সময় মতো খবর পেয়েও ঘটনাস্থলে আসতে দেরি করেছে’ এই অভিযোগেই এলাকাবাসীরা পুলিশকেই তাড়া করে।

এক পুলিশ অফিসারকে রীতিমতো তাড়া করে ব্যাপক মারধরও করেন গ্রামবাসী’রা। বার বার প্রাণ বাঁচানো’র চেষ্টা করেও তিনি মারের হাত থেকে রক্ষা পাননি।

আরও পড়ুন: মুম্বাইয়ে জলবন্দি আস্ত ট্রেন, দীর্ঘ ১৭ ঘণ্টার চেষ্টায় অবশেষে উদ্ধার ১০৫০ জন যাত্রী!

উন্মত্ত জনতার টানা-হেঁচড়ে রাস্তায় গড়াগড়িও খেতে হয় পুলিশ অফিসারকে। অন্যদিকে ওই অফিসারের সাথে থাকা অন্যান্য পুলিশকর্মীরাও নিজেদের প্রাণ বাঁচাতে পগার পার হয়ে যায়! যদিও খবর পেয়েই তৎক্ষণাৎ ঘটনাস্থলে বিশাল পুলিশবাহিনী চলে আসে। ফলে, পরিস্থিতিও ক্রমেই অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে।

জানা গেছে যে, শনিবার সেখানকার ধাবা’য় কাজ করা ১৬ বছরের এক কিশোর, বিজয় দলাই’য়ের দেহ পাওয়া যায়। আর গ্রামবাসী’দের দাবি বিজয়’কে খুন করেছে ওই ধাবারই মালিক শাহামুদ্দিন শাহ। ব্যস, প্রতিবাদে নেমে পড়ে গ্রামবাসীরা। রাস্তায় আগুন ধরিয়ে শুরু হয় পথ অবরোধও।

আরও পড়ুন: পাড়ারই এক ছোকরা কুকুরের সঙ্গে ‘অবৈধ’ সম্পর্ক! অবশেষে পোষ্যকে তাড়িয়ে দিল মালিক

অভিযোগ, খবর দেওয়ার পরেও নাকি অনেক দেরি’তে আসে পুলিশ। এর পরেই ক্ষোভে ফেটে পড়ে এলাকাবাসী। পুলিশকে তাড়া করে, বাকি পুলিশরা পালিয়ে গেলেও ক্ষিপ্ত জনতার হাতে পড়ে যান সেখানকার থানার আইসি। তবে, পরিস্থিতি সামাল দিতে এখন এলাকায় মোতায়েন রয়েছে বিশাল পুলিশবাহিনী।

বিজ্ঞাপন
Jayanta Das:
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন