বাড়িতে যদি এই ৭টি জিনিস থাকে তাহলে আপনার মারাত্মক ক্ষতি হবেই হবে!

বিজ্ঞাপন

বাস্তুসাস্ত্র মতে আমাদের বাড়ির চার দেওয়ালের অন্দরে দুটি শক্তি বা এনার্জির সন্ধান পাওয়া যায়। এক হল শুভ শক্তি এবং আরেকটি হল অশুভ শক্তি। ভয়ের বিষয় হল গৃহস্থের অন্দরে আমাদের অজান্তেই কিন্তু অশুভ শক্তির মাত্রা বৃদ্ধি পেতে শুরু করে। আর এমনটা হলে একের পর এক খারাপ ঘটনা ঘটতে শুরু করে, বিশেষত অর্থনৈতিক ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা যেমন বাড়ে, তেমনি পরিবারের অন্দরে ঝগড়া-ঝাটির মাত্রা বাড়তে শুরু করে। শুধু তাই নয়, পরিবারের কেউ মারাত্মক কোনও রোগেও আক্রান্ত হতে পারেন। তাই তো বলি বন্ধু, এমন কোনও কাজ করবেন না যাতে আপনার আশেপাশে নেগেটিভ শক্তির মাত্রা বৃদ্ধি পায়। প্রথমেই বলেছিলাম আমাদের অজান্তেই আমাদের আশেপাশে নেগেটিভ শক্তির মাত্রা বৃদ্ধি পায়।

আসলে কী জানেন আমরা অজান্তে এমন কিছু কাজ করে ফেলি, যে কারণে নেগেটিভ শক্তি আমাদের ঘাড়ে চেপে বসে। আর যেই না এমনটা হয়, ওমনি একের পর এক খারাপ ঘটনা ঘটার আশঙ্কা যায় বেড়ে। তাই যদি চান, আপনার বাড়িতে নেগেটিভ শক্তির মাত্রা না বাড়ুক, তাহলে বাড়িতে কিছু জিনিস রাখা চলবে না, তাহলেই দেখবেন কেল্লা ফতে! প্রসঙ্গত, আমাদের বাড়ির অন্দরে থাকা যে যে জিনিসগুলি নেগেটিভ এনার্জিকে আমন্ত্রণ জানিয়ে নিয়ে আসে, সেগুলি হল…..

৭. বিশেষ কিছু ছবি:

একেবারে ঠিক শুনেছেন বন্ধু! বাস্তবিকই কিছু ছবির সঙ্গে আমাদের ভাল-মন্দের গভীর যোগ রয়েছে। বাস্তু বিশেষজ্ঞদের মতে কোনও যুদ্ধের পেন্টিং, কোনও দুঃখের ছবি অথবা হিংসা, খুনোখুনি বা কোনও পশু আরেক প্রাণীকে খাচ্ছে, এমন ছবি বাড়িতে রাখলে অজান্তেই খারাপ শক্তির প্রভাব বাড়তে শুরু করে আমাদের আশেপাশে, যে কারণে ব্যাড লাক রোজের সঙ্গী হয়ে ওঠে। আর এমনটা হলে কী কী ক্ষতি হতে পারে, তা নিশ্চয় আর আলাগা করে বলে দিতে হবে না।

৬. নটরাজের মূর্তি:

খেয়াল করে দেখবেন অনেকেই ঘর সাজাতে নটরাজের মূর্তি কিনে থাকেন। কিন্তু একথা জেনে রাখা একান্ত প্রয়োজন যে বাড়িতে নটরাজের মূর্তি রাখা একেবারেই উচিত নয়। কারণ শিব ঠাকুরের তাণ্ডব রূপ হল নটরাজ। তাই এমন মূর্তি বাড়িতে রাখলে অশান্তি বাড়ার আশঙ্কা থাকে। আর এমনটা আপনার পরিবারের সঙ্গেও ঘটুক, যদি না চান, তাহলে।

৫. কাঁটা রয়েছে এমন গাছ:

এমনটা বিশ্বাস করা হয় যে বাড়িতে ক্যাকটাসের মতো কাঁটা গাছ রাখলে একদিকে যেমন নানাবিধ রোগ-ব্যাধির প্রকোপ বাড়ে, তেমনি নেগেটিভ শক্তির প্রভাবে পরিবারের অন্দরে অশান্তি এবং ঝগড়া-ঝাটিও বাড়তে থাকে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই মানসিক শান্তি দূরে পালাতে সময় লাগে না। তাই তো এই ধরনের গাছ বাড়িতে রাখা একেবারেই উচিত নয়।

৪. মাকড়সার জাল:

মারাত্মক অর্থনৈতিক ক্ষতি হওয়ার পাশাপাশি একের পর এক সমস্যায় জীবন দুর্বিষহ হয়ে উঠুক, এমনটা যদি না চান, তাহলে বাড়ির কোথায়ও মাকড়সার জাল তৈরি হতে দেবেন না যেন! কারণ এমনটা বিশ্বাস করা হয় যে বাড়ির ইতি-উতি মাকড়সার জাল জমতে শুরু করলে টাকা-পয়সা সংক্রান্ত নানা ঝামেলা মাথা চাড়া দিয়ে ওঠে। সেই সঙ্গে নেগেটিভ শক্তির মাত্রা এতটা বেড়ে যায় যে মারাত্মক সব ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা যায় বেড়ে। তাই তো বলি বন্ধু, যদি সুস্থ শরীরে আনন্দে বাঁচতে হয়, তাহলে বাড়ি-ঘর পরিষ্কার রাখতে ভুলবেন না যেন!

৩. আসবাবপত্র:

খেয়াল করে দেখবেন অনেকেরই বাড়ির স্টোর রুমে দিনের পর দিন ধরে ধুলে খেতে থাকে বহু ফার্নিচার। কেউ সেগুলো ব্যবহারও করেন না, আবার ফেলেও দেন না। আর এমনটা করার কারণ মারাত্মত ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা যায় বেড়ে। তাই তো বলি বন্ধু, সুখে-শান্তিতে এবং নিরাপদে যদি বাঁচতে হয়, তাহলে পুরানো, অব্যবহৃত ফার্নিচার ফেলে দিতে ভুলবেন না যেন।

২. অব্যবহৃত ইলেকট্রনিক আইটেম:

বাস্তু বিশেষজ্ঞদের মতে ভেঙে যাওয়া বা পুরোনো ইলেকট্রনিক গুডস, যেমন ধরুন- মোবাইল, কম্পিউটার প্রভৃতি যদি বাড়িতে রেখে দেওয়া হয়, তাহলে গৃহস্থের অন্দরে খারাপ শক্তির প্রভাব বাড়তে শুরু করে। আর এমনটা হলে কী কী ক্ষতি হতে পারে, তা নিশ্চয় আর আলাদা করে বলে দিতে হবে না।

১. ছিঁড়ে যাওয়া পুরানো মানি ব্যাগ:

খেয়াল করে দেখবেন অনেকেই পুরানো মানি ব্যাগ ফেলে না দিয়ে কোথাও না কোথাও গুঁজে রাখেন। কেন এমনটা করেন, জানা নেই। তবে একথা জেনে রাখা একান্ত প্রয়োজন যে বাড়িতে ছিঁড়ে যাওয়া টাকার ব্যাগ রেখে দিলে বা এমন ব্যাগ ব্যবহার করলে মারাত্মক ধরনের অর্থনৈতিক ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা যায় বেড়ে। সেই সঙ্গে ধার-দেনায় জড়িয়ে পরার সম্ভাবনাও থাকে। তাই তো বলি বন্ধু, চরম অর্থনৈতিক ক্ষতির সম্মুখিন হতে যদি না চান, তাহলে ছেঁড়া ব্যাগকে টাটা-বাই বাই বলতে দেরি করবেন না যেন! প্রসঙ্গত, এক্ষেত্রে আরেকটি জিনিস মাথায় রাখা একান্ত প্রয়োজন। তা হল, এমনটা বিশ্বাস করা হয় যে মানি ব্যাগ একটা রূপোর কয়েন, অশ্বত্থ গাছের পাতা অথবা মা লক্ষ্মীর ছবি রাখলে অর্থনৈতিক উন্নতি ঘটতে সময় লাগে না।

বিজ্ঞাপন
Sanjib:
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন